বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
Welcome To Our Website...
আজকের সংবাদ শিরোনাম :
যে দোয়ায় দিনরাত সব সময় সওয়াব মিলে যুক্তরাজ্য জাসদের উদ্যোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা বৃটেনে ইসলামী শিক্ষা বিস্তার ও মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় মাওলানা তহুর উদ্দীন গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনা করে গেছেন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় যুক্তরাজ্যের বিএনপির খতমে কোরআন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বালাগঞ্জে কৃষি প্রণোদনা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকরা কানাডায় বাংলাদেশি মালিকানাধীন সিকিউরিটি কোম্পানির যাত্রা শুরু ‘শুভ চঞ্চল সকাল’ ‘ঈর্ষান্বিত বিএনপি অপশক্তিকে নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে’ ‘একটাই দাবি- দেশনেত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে হবে’ বিশ্রামে কোহলি, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ
মেঘনার ভাঙনে বিলীনের পথে চরমধুয়া

মেঘনার ভাঙনে বিলীনের পথে চরমধুয়া

জেলায় মেঘনার অব্যাহত ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে চরমধুয়ার দুটি গ্রাম।

 

মঙ্গলবার থেকে অব্যাহত ভাঙনে ইতোমধ্যে রায়পুরা উপজেলার চরমধূয়া ইউনিয়নের দড়িহাটি গ্রামের অন্তত ২০টি পরিবারের ৩০টি বসতঘর নদীরগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এতে খোলা আকাশের নীচে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবনযাপন করছেন এসব বানভাসী মানুষ।

 

এছাড়া বিলীনের আশঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে আরও ঘরবাড়ি। শুধু তাই নয় শিগগিরই ভাঙন ঠেকানোর স্থায়ী পদক্ষেপ না নিলে পুরো ইউনিয়নই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

 

স্থানীয়রা জানান, এ ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য ২০১৪ সালে সাবেক মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর উদ্যোগে বীর চরমধুয়া গ্রামে ৯৭ মিটার লম্বা একটি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়। তখন এলাকার লোকজন আরো ৬’শ মিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু অজানা কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ দাবি আমলে নেয়নি। ফলে মেঘনার ভাঙনে চরমধূয়ার মাদরাসা, স্কুল, বাজার ও কবরস্থানসহ ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মেঘনা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মেঘনায় হঠাৎ ভাঙন শুরু হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের ঠিক পরপরই হঠাৎ করে নদী ভাঙন শুরু হয় চরমধূয়া সিকদার বাড়ীর মেঘনা নদীর ঘাটে। এরপর থেকে একের পর এক বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হতে থাকে। মুহূর্তেই ৩০টি ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

 

 

 

 

 

চরমধুয়া গ্রামের বাসিন্দা খলিলুর রহমার রানা রাইজিংবিডিকে বলেন, বিগত দুই যুগ ধরে বিক্ষিপ্তভাবে চরমধুয়ায় নদী ভাঙনের কবলে প্রায় পাঁচ শতাধিক বসবাড়ী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সরকার যদি এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কোন পদক্ষেপ না নেন তা হলে মানচিত্র থেকে চরমধুয়া নামটি একদিন মুছে যাবে।

 

চরমধূয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আহসান সিকদার রাইজিংবিডিকে জানান, মেঘনার কয়েক বছরের অব্যাহত ভাঙনে ইউনিয়নের প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার আজ ভূমিহীন। মেঘনায় বাঁধ নির্মাণের জন্য মানববন্ধনসহ বিভিন্নভাবে দাবি জানালেও কোন কাজ হয়নি। আমরা দ্রুত একটি বাঁধ নির্মাণ করে চরমধুয়া ইউনিয়নের জনগনকে নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করার দাবি জানাই।

 

চরমুধুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম শিকদার রাইজিংবিডিকে জানান, মেঘনা নদী ভাঙনের ভয়াবহ ঘটনাটি কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। আশা করছি কর্তৃপক্ষ এর ব্যবস্থা করবেন।

 

এদিকে নদী ভাঙনের খবর পেয়ে রায়পুরা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সাদেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি সাবেক মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর মাধ্যমে নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের লোকজনের দাবি আদায়সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ড নরসিংদীর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ সাহাবুদ্দিন আহমেদ রাইজিংবিডিকে বলেন, নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে আমরা লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ পেলে বাস্তবায়ন করা হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ

Weather

booked.net




© All Rights Reserved – 2019-2021
Design BY positiveit.us
usbdnews24