অ্যানফিল্ডে লিভারপুলের আরও এক জয়

তখনও খেলা বয়স ১ মিনিটও হয়নি, ম্যাচের ৪৭ সেকেন্ডের মাথায় টটেনহ্যাম হটস্পারের হ্যারি কেইন কাঁপিয়ে দেন লিভারপুলের জাল। এমনই চলল প্রথমার্ধের পুরোটা সময়, ১-০ গোলে পিছিয়ে ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। অথচ এই লিভারপুল ঘরের মাঠে আগের ১১ ম্যাচে জয় পেয়েছে। অ্যানফিল্ডে হারেনি এর আগের ৪৪ ম্যাচে। টটেনহ্যামের বিপক্ষেও অবশ্য শেষ পর্যন্ত হারেনি লিভারপুল। পিছিয়ে থেকেও তুলে নিয়েছে ২-১ গোলের জয়। ঘরের মাঠে তুলে নিল টানা ১২ জয়।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান লিভারপুল অধিনায়ক হেন্ডারসন। এরপর ৭৫ মিনিটে সাদিও মানে পেনাল্টি আদায় করে দেন। মিসরের লিভারপুল তারকা মোহাম্মদ সালাহ গোল করে দলকে ২-১ গোলের লিড এনে দেন। ওই গোলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অল রেডসরা।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ম্যানসিটির চেয়ে ছয় পয়েন্ট এগিয়ে থেকে শীর্ষস্থান ধরে রাখে। এর আগে লিগ ম্যাচে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে শেষ সময়ের গোলে সমতা করে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল।

সালাহরা পিছিয়ে থেকে জিততেও মাঠে তাদের আধিপত্য ছিল একক। আক্রমণ থেকে শুরু করে বল দখল, সফল পাস সব মিলিয়ে স্পার্সদের শ্বাস বের করে ছেড়েছে ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। ম্যাচে মৌরিসিও পচেত্তিনোর শিষ্যরা মাত্র ৩৮ ভাগ বল পায়ে রাখতে পারে। গোল মুখে শট নিতে পারে মাত্র চারটি।

অন্যদিকে লিভারপুল গোল মুখে ১৩টি শট নেয়। তিনটি শট ছিল গোলের বাইরে। শেষ দিকে পেনাল্টি জিতে জয়ের মুখ দেখতে হয়েছে তাদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *