মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:৪০ অপরাহ্ন

নোটিশ :
Welcome To Our Website...
আজকের সংবাদ শিরোনাম :
যে দোয়ায় দিনরাত সব সময় সওয়াব মিলে যুক্তরাজ্য জাসদের উদ্যোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা বৃটেনে ইসলামী শিক্ষা বিস্তার ও মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় মাওলানা তহুর উদ্দীন গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রচনা করে গেছেন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় যুক্তরাজ্যের বিএনপির খতমে কোরআন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বালাগঞ্জে কৃষি প্রণোদনা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন কৃষকরা কানাডায় বাংলাদেশি মালিকানাধীন সিকিউরিটি কোম্পানির যাত্রা শুরু ‘শুভ চঞ্চল সকাল’ ‘ঈর্ষান্বিত বিএনপি অপশক্তিকে নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে’ ‘একটাই দাবি- দেশনেত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে হবে’ বিশ্রামে কোহলি, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ
হযরত উসমান (রা.) এর যে দানে এখনো উপকৃত হচ্ছে মানুষ

হযরত উসমান (রা.) এর যে দানে এখনো উপকৃত হচ্ছে মানুষ

ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে ওয়াকফ মূলত এমন সম্পত্তি যা সাধারণভাবে সব মানুষের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। এই সম্পত্তি কুক্ষিগত করে কেউ ব্যক্তিগতভাবে পুঁজি অর্জন ও ভোগ করতে পারবে না। এই সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত অর্থ শুধু দাতব্য কাজেই ব্যবহার করা যাবে।

মদিনায় মুসলমানদের হিজরতের সময় মদিনাবাসীর পান করার মত পানির যথাযথ কোনো উৎস ছিল না। শুধু একটি পানির কূপ ছিল যার পানি সবাই পান করতো। তবে সেটি ছিল এক ইহুদির দখলে এবং সে এই পানির জন্য চড়া মূল্য রাখতো।

হযরত উসমান (রা.) তখন কূপের মালিকের কাছে কূপটি কেনার প্রস্তাব দেন যাতে করে মদিনাবাসী বিনামূল্যে কূপটির পানি ব্যবহার করতে পারে।

কিন্তু ইহুদি এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে। ফলে হযরত উসমান (রা.) তার থেকে কূপটি ভাড়া নেয়ার প্রস্তাব দেন। ইহুদি তাকে প্রতি একদিন পর দ্বিতীয় দিনে কূপটি ভাড়া দিতে সম্মত হয়। হযরত উসমান (রা.) তার নির্ধারিত দিনে সবার জন্য বিনামূল্যে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

ফলে হযরত উসমান (রা.) এর ভাড়া করা দিনে মদিনাবাসী তাদের প্রয়োজনীয় পানির সংস্থান করে নিত। অন্যদিকে ইহুদির জন্য নির্ধারিত দিনে কেউই তার কাছ থেকে পানি নিতে আসতো না।

এতে ইহুদি বাধ্য হয়ে হযরত উসমান (রা.) এর কাছে কূপটি বিক্রি করে দেয়। হযরত উসমান (রা.) বিশ হাজার দিরহামে কূপটি কিনে নিয়ে মদিনাবাসীর জন্য ওয়াকফ করে দেন।

সেই থেকে এখন পর্যন্ত চৌদ্দশো বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো এই কূপটি অভাবী-দরিদ্র মানুষের কল্যাণে এবং হাজিদের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।

বর্তমানে কূপটির চারপাশে কূপের পানি ব্যবহার করে বিশাল এক খেজুর বাগান গড়ে তোলা হয়েছে। সৌদি আরবের কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই বাগানটি তত্ত্বাবধান করা হয়। বাগানের খেজুর বিক্রয় থেকে যা আয় হয়, তা সমান দুই ভাগ করে এক ভাগ এতিম ও দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করে দেয়া হয়।

অপর ভাগ হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.) এর নামে এক বিশেষ ব্যাংক একাউন্টে জমা করা হয়। সৌদি ওয়াকফ মন্ত্রণালয় এই বিষয়টি তত্ত্বাবধান করে। এই টাকা হজযাত্রিদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থাপনার কাজসহ অন্যান্য দাতব্য কাজে ব্যবহার করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ

Weather

booked.net




© All Rights Reserved – 2019-2021
Design BY positiveit.us
usbdnews24